এই পুজোতে শান্তনু – বোধন !

কালো শাড়ি পরা মন খারাপের জানলার গরাদগুলো যখন বৃষ্টিতে ভিজতে চায় তখন সবার মন সেই বৃষ্টিতে ডুব দিয়ে ভেসে উঠতে চায় স্মৃতির আঁতুরঘর -এ। যদিও বলাবাহুল্য সেই স্মৃতি ভুল করে ছুঁয়ে ফেলা থেকে, কাওকে না পাওয়ার বেদনা হতে পারে। কিছু সবুজ খাম যেমন সুবার্তা নিয়ে আসতে পারে তেমনই কিছু গানও অনুভুতির সাগরের তীরে খালি পায়ে হেঁটে বেড়াতে পারে যদি বৃষ্টি গুলো সেই গান হয়ে ধরা দেয়। গান নিয়ে যখন কথা উঠলই তখন বলতেই হয় তাঁর কথা! যেমন ধরুণ বিদেশে থাকা ছেলেটি বহুবছর পর যখন হলুদ ট্যাক্সিতে বাড়ি ফিরে আসে তখন তাঁর গানের “খয়েরি কুড়ির ফুল” ছেলেটিকে কেবলই বাড়িতে নয় বরং ঘরে ফিরিয়ে আনে। কিংবা লাজুক মেয়েটি সাহস করে তার পছন্দের ছেলেটিকে সহজেই গান গেয়ে বলে দিতে পারে “সেই আদরের অন্য নাম”!

তাঁর প্রতিটি গানের সাথেই নিজেকে একাত্ব করা চলে, নিজেকে গঙ্গার পারে বসিয়ে মন খারাপ করা চলে, নিজের শহর কে ভালোবাসা চলে,অকারণেই খুব সুখেই চোখ ঝাপসা করা চলে,আবার অগোচরে এলোমেলো জিবন কে গুছিয়ে ফেলা চলে।

কার কথা বলছি? তিনি আর কেও নন ‘শান্তনু মৈত্র‘। তার গানের মিষ্টি সুর যেমন রাতগুলোকে সোনালি  ভোর হতে দেয়,তেমনই তার গানের সুর ট্রামে চেপে মন খারাপের শহরও দেখায়। তার কাজ করা শেষ ছবি ছিল ” বুনোহাঁস ২০১৪সালে।প্রায় তিন বছর পর আবার সেই সোনালি শহর ফিরছে ভোরবেলায়। আবার কিছু সুর বাঁধতে চলেছে ঘর।হ্যাঁ শান্তনু মৈত্র আবার ফিরে আসছেন ” প্রজাপতি বিস্কুট ” এর মধ্যে দিয়ে। কিছু গান যেমন সমস্ত মন খারাপ তোলপাড় করে দিতে পারে, তেমন কিছু কিছু খবর পূজোর আনন্দকে কিন্তু আরও দ্বিগুণ করে দিতে পারে! তার আগমন বার্তা  খানিকটা তাই। এবার পুজোয় শান্তনু মৈত্র-এর সুরে আগমণ, উঁহু কিন্তু এইবারটি তার গমন নেই,কারণ তাঁর গমন আমরা কেও চাইনা।