মহিলারা কি এখনও উচ্ছিষ্ট খেয়ে বা কারুর দয়াতেই বেঁচে থাকবে? প্রশ্ন তুললেন শমিক!

একটি মেয়ের ছোট থেকে বড়ো হয়ে উঠার সময় সমস্ত ‘মেয়েবেলা’ গুলো কখন যেন হারিয়ে গিয়ে সেখানে ‘ছেলেবেলা’ গুলো জায়গা করে নেয়, তবু জানা নেই এর কারণ, হয়ত বা এভাবে বলা যেতে পারে খুব বেশি করেই এর কারণ জানা আছে। আমাদের সমাজ পুরুষতান্ত্রিক! না এতে মন্দ কিছুই নেই, কিন্তু কোনোদিন কি এটা ভেবে দেখেছি একটি মেয়ের ছোটবেলা কে আমরা অনায়াসে ছেলেবেলা বলি কই মেয়েবেলা তো বলিনা। আসলে ছোট থেকেই পুরুষোচিত মনোভাব আমাদের রক্তে মিশে থাকে যতই নাকচ করিনা কেন, তাই একটি ছেলের ছোটবেলার মতো একটি মেয়ের ছোটবেলাকেও আমরা ‘ছেলেবেলা’ বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি ‘মেয়েবেলা’ বলতে নয়।

এবার ‘মেয়েবেলায়’ যদি ‘ছেলেবেলারা’ এসে ভাগ বসায় তবে মেয়েটি পুতুল খেলায় কেবল সুখ-ই নয় বরং  বিশ্বসংসার খুঁজে পায়, কারণ বাইরে যাওয়ার উপায় যে তার নেই। মেয়েটি স্বাভাবিক হোক কিংবা অস্বাভাবিক আমাদের সমাজ আমাদের শিখিয়েছে পুরুষশাষিত সমাজে আপস করে বাঁচার কথা, মানিয়ে নেওয়ার কথা।

এমনই একটি বিষয় নিয়ে পরিচালক শমিক রায় চৌধুরীর স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আসতে চলেছে যার নাম ‘ভানিচি ভানি’।

পরিচালক শমিক রায় চৌধুরী বলেন, “আমি কাজের সূত্রে যখন গ্রামে যাই সেখানে মেয়েদের অবস্থান এতোটাই খারাপ ছিল আমি অবাক হয়ে গেছিলাম,সেখান থেকেই আমার এই ছবিটির ধারণা মাথায় আসে”।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল এরকম একটি চোখ এড়িয়ে যাওয়া বিষয় নিয়ে ছবি বানানো সহজ কথা নয় তাঁর চিন্তা ভাবনা তাঁর কাজের মধ্যে দিয়ে দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন, সব মিলিয়েই অসাধারণ একটা পদক্ষেপ নিয়েছেন পরিচালক শমিক রায় চৌধুরী।

পরিচালকের বক্তব্য থেকে আবারও স্পষ্ট ভাবেই এই প্রশ্ন উঠে এল যে আমাদের সভ্য সমাজে ভানির (ছবিটিতে বাচ্চা মেয়েটির নাম) মতো মেয়েরা বা মহিলারা তাহলে কি উচ্ছিষ্ট খেয়েই বেঁচে থাকবে বা দয়াতেই বাঁচবে?

প্রশ্নের উত্তর পেতে তৈরী থাকুন ভিডিও টির জন্যে যা সম্প্রতি মুক্তি পেতে চলেছে সোশ্যাল সাইটে এবং অবশ্যই গুলগালে, সমাজ কে এক অন্য স্তরে পৌঁছতে গেলে এই ছবিটি দেখতেই হবে এবং হলোপ করে বলতে পারি আপনাদের ভালো লাগবেই এই ছবিটি।

This slideshow requires JavaScript.