বাংলা ভাঙলেই কি আর প্রেম ভাঙা যায় ?

“ওই পারে মোর রইলো স্বজন।
যার তৃপ্তি বাংলা ভেঙে,
সে’ই প্রেমের দিলো বিসর্জন।”

সাধারণ বীজ দিয়ে ভালো ফসল ফলানোর গুন কৌশিক গাঙ্গুলী’র মতো আর কজনেরই বা পোক্ত? এবিষয়ে যদি কারোর কোনো অমিল থেকে থাকে তাহলে চটজলদি পাল্টে ফেলুন আপনার চিন্তাভাবনা গুলিকে। অন্ততপক্ষে কৌশিক গাঙ্গুলী’র বিগত ছবি গুলি আপনাকে তাই করতে বাধ্য করবে।

টলিপাড়ার আর কটা নামজাদা’দের মতো ইনিও একজন পরিচালক। সফল, সত্যান্বেষী এবং গল্প পিপাসী। তবে পরিচালক না বলে গল্প কথক বলা হয়তো শ্রেয়। ধরে নিন আরাম কেদারায় বসে আরাম ফরমাচ্ছেন। আর অন্যপাশ থেকে ফিস ফিস স্বরে ভেসে আসছে একটি গল্প। গল্পটা আপনার ভীষণ চেনা, তবুও শুনতে ভালোই লাগছে। ধরনটা বেশ মজাদার।

একজন পরিচালক হিসেবে কৌশিক গাঙ্গুলী’র ব্যাপারটাও এরকমই। একটা গল্পও আপনার কল্পনার বাইরে নয়, কিন্তু সেগুলিকে তুলে ধরার কায়দায় যেন বেশ আয়েশ আছে। আপনি বা আমি কেউই এই কায়দার ধারে কাছে ঘেঁসতে পারবো কি না তাতে আমার তো সন্দেহের শেষ নেই। যারা এখনো বিশ্বাস করে উঠতে পারেননি তারা না হয় দেখে ফেলুন কৌশিক বাবুর আগের ছবি গুলি। সেটাও করতে গিয়ে যদি অসুবিধা পান তাহলেও চিন্তিত হওয়ার তেমন কিছুই নেই।

রবিবার মানেই আমার-আপনার সবার ছুটি। যদি আউটডোর প্লান করে থাকেন তাহলে আলাদা কথা, কিন্তু যারা বাড়িতে বসেই ছুটির দিনটা খরচ করতে চান তারা না হয় বসে পড়ুন টিভির সামনেই।

না না, রাত জেগে পেঁচার দায়িত্ব আপনাকে পালন করতে বলছি না। বরং জি বাংলা আর জি বাংলা এইচডি’র সৌজন্যতায় দুপুর ২:৩০ টায় কৌশিক বাবুর জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ছবি “বিসর্জন”র সাথে আলাপটা সেরেই ফেলুন।

অবিভক্ত বাংলার একটি অবিভক্ত প্রেমের ছবি “বিসর্জন”। ছবিটি নিয়ে তেমন বাড়িয়ে কিছু বলবো না, তবে কৌশিক গাঙ্গুলী’র গল্প বলার সবকটা বৈশিষ্ট্যই চেপে ধরতে পারবেন এই ছবিতে।