“যদি তৃণমূল করো তো প্রপারলি করো, কালকে সিপিএম বা বিজেপি হতে এসো না!”- সৌরভ পালোধি!

শনিবারের পড়ন্ত বিকেলে গন্তব্য ছিল শহরের কোন এক কফিশপ কারণ একজন বিখ্যাত মানুষ ছোটপর্দা, বড়পর্দা, নাট্যমঞ্চের পর নিজের কাজ নিয়ে আসছেন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, একদম নিজস্ব ওয়েব পোর্টাল বানিয়ে। এটাই ছিল পরিচালক সৌরভ পালোধি‘র সাথে আলোচনার বিষয়বস্তু কিন্তু ওপারের মানুষটি যদি স্পষ্টবাদী, সুবক্তা হন তবে একটা বিষয়ে আলোচনা চালিয়া যাওয়া বড় দুষ্কর হয়ে ওঠে! নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছে কফিশপের দুর্লভ উপস্থিতি টের পেয়ে গন্তব্য হয় জ্ঞানমঞ্চ, যদিও সেখানে ঢোকার আগে একটু কিন্তু কিন্তু করেন কারণ ওখানে কিছুক্ষণ পরেই শুরু হবে ‘স্বপ্নসন্ধানী’র নাটক। শেষমেষ জ্ঞানমঞ্চের করিডরে বসে উচ্ছস্বিত স্বরে প্রথম সুখবরটা গুলগাল’কেই দিলেন, “নাটকটার নাম কী?” নাটকটা আবার আমন্ত্রিত হয়েছে দিল্লির ন্যাশেনাল স্কুল অফ ড্রামা’তে শো করার জন্য ফেব্রুয়ারিতে……বাকি কথা থাকলো পুরো সাক্ষাৎকারে…

মমতা ব্যানার্জির ঘরের সামনে নাকি কেউ বা কারা কার্তিক ঠাকুর ফেলে গেছে, শুনেছ নিশ্চয়ই?

সৌরভ- (হাসি) হ্যাঁ আমিও শুনেছি যে ওনার বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুর পড়েছে, আমারও শোনা খবর। যে করেছে তাকে হ্যাটস অফ! একটা অসাধারণ বুদ্ধি মানে এইরকম একজন এলিজেবল মেয়ে তো আর কেউ নেই, দারুন ব্যাপার এটা। ওনাকে নিয়ে অনেক মজাই করা হয় এটা তার মধ্যেই পড়ে আর আমার তো মজা ছাড়া আর কিছুই নেই আলোচনা করার (হাসি)!

জ্ঞানমঞ্চে ঢোকার আগে বলছিলে কৌশিক সেনের দলের নাটক আছে, ওখানে ঢুকবে না?

সৌরভ- না না সেরকম কিছু না! কৌশিকদার সাথে সব দলের এত ভাল সম্পর্ক, আমার অলরেডি নাটকটা দেখা, আবার দেখতে বলবেন (হাসি) আজকে আমার দলের নাটকও নেই তাই বলছিলাম, কিছুই না..

মানুষকে চমকানো কি তোমার অন্যতম নেশা? সবসময় আনপ্রেডিক্টেবল!

সৌরভ-  হ্যাঁ সেটা তো বটেই, প্রেডিক্টেবল থাকতে ভাল লাগে না। আমার সব বন্ধুরা যখন সায়েন্স পড়ছে তখন অন্যদের থেকে অনেক বেশি নম্বর থাকা সত্ত্বেও কমার্স নিয়ে পড়াশুনো করি, কোন কারণ ছাড়াই তবে এটা বেছেছিলাম কারণ শুনেছিলাম এতে নাকি কম পড়াশুনা করতে হয়,ফাঁকি মারা যায় ,যে টাইমটা আমি নাটকে বা অনান্য কাজে লাগাতে পারব (হাসি)। এইজন্য শুরু থেকেই আমার অন্য পথ বাছতে ভাল লাগে। আমার ফ্যামিলিতে কেউ এই দিকে নেই..

কোন গডফাদার ছাড়াই পুরো জার্নি…

সৌরভ- কিচ-চ্ছু ছিল না, বাড়িতে মা-বাবা ভাবত ছোটছেলে শখের জন্য করছে কোন না কোনদিন তো চাকরি করবেই, সেই আশাতেই ছিল তবে এখন বুঝে গেছেন যে এটাই আমার সব। কিন্তু নাটকটা আমার পেশা, শখ নয়। আমি অবসর সময়ে থিয়েটার করি না, থিয়েটার করে অবসর সময় বের করি।

কিন্তু প্রথম পরিচিত আসে কমেডিয়ান হিসেবেই..

সৌরভ-  আমার এই ‘কমেডিয়ান’ শব্দটাতে একটু আপত্তি আছে ‘স্ট্যান্ডআপ কমেডি’ শব্দটায় বিশ্বাস করি। যে অভিনেতাদের কমেডিয়ান অ্যাখ্যা দেওয়া হয় সেটা ভুল, তাঁরা ‘অভিনেতা’। হ্যাঁ আমি প্রথমত একজন ‘স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান’ কিন্তু তার আগে থেকেই আমি নাটক করতাম, শুধুমাত্র একটা কমেডি শো’তে ছিলাম বলেই মানুষ আমাকে চিনেছে এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক ! আমার থেকেও অনেক গুণী নাট্যব্যাক্তিত্ব আছেন যাঁদের মানুষ চেনে না, মানুষ নাটক দেখে না, বোঝার চেষ্টা করে না। নাটকের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটা মানুষ প্রতিদিন চেষ্টা করে চলেছেন আরও উন্নত করার কিন্তু দর্শকদের কোন চেষ্টা নেই!

হঠাৎ বড়পর্দা থেকে ৫ ইঞ্চির মোবাইল স্ক্রিনে নিজেকে ফেললে কেন?

সৌরভ- না এটা আমি সেভাবে বিশ্বাস করি না, এটা সিনেমাই তো! আলাদা কিছু তো নয়। শুরুতেই বললাম আমার অন্য রাস্তায় হাঁটতে ভাল লাগে, সেখান থেকেই মাথায় এল ছোটপর্দায়, বড়পর্দায় কাজ করেছি অনেক ভাবে এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চেষ্টা করেই দেখি না…

সাইটের নাম কি ভেবেছ?

সৌরভ-  সহজপাঠ ক্রিয়েশন। নতুন বছরের প্রথম দিকেই আসবে, আমার ‘পার্কিং’ সিনেমাটা আসতে পারবে কিনা জানি না কিন্তু আরও অনেক ছবি ও কনটেন্ট রয়েছে যেগুলো দিয়ে সাইট লঞ্চ হবে । এটা আলাদা করে কোথাও শিফট করছি না, আমি এরপর সিনেমাও করব, নাটকও করব। সারা বছর ধরে পুরো ব্যাপারটা পার্টে পার্টে ভেঙ্গে নেওয়া কারণ আমি একসঙ্গে অত কাজ করতে পারি না..

এখানে আবার অনুরাগ বসু’র মত বড় নাম যুক্ত হতে চলেছে..

সৌরভ- হ্যাঁ, ওনার সাথে আমার আলাপ সেই জি বাংলার ‘কে হবে বিগেস্ট ফ্যান’ শো’তে আমি ছিলাম অ্যাসিটেন্ট ডিরেক্টর তখন থেকেই, পরে বেশ যোগাযোগ বাড়ে, কথা হত। আমি নিজে ওনার বড় ফ্যান সেই ‘সায়া’ থেকে। তারপর যখন আমি ওনাকে বলি যে এরকম একটা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছি তো শুনেই উনি বলেন মার্চ-এপ্রিল নাগাদ আসব আমি করব, ভীষণ ক্যাজুয়াল কথাবার্তা কিন্তু এই ক্যাজুয়াল টকগুলো ষ্ট্যাম্পপেপারের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ অনেক , আশা করছি এটা হবে…

যে ডিজিটালের কথা বলছ সেখানে ইতিমধ্যেই এইরকম অরিজিনাল কনটেন্ট নিয়ে বাংলাতেই  বড় হাউস রয়েছে, প্রতিযোগিতাটা কেমন?

সৌরভ- না না, কারুর সাথে আমার কম্পিটিশেন নেই, এটা কোন অ্যাপ নয়, কাউকে পয়সা খরচা করে দেখতে হবে না কারণ আমি মনে করি পৃথিবীর এত ভাল ভাল ছবি ফ্রি’তে দেখা যায় সেখানে রিজিওনাল কনটেন্টের জন্য আমি পয়সা কেন নেব? যেখানে আমি প্রদীপ্তদা’র ছবি, সুজয় ঘোষের ছবি ফ্রিতে দেখতে পাচ্ছি সেখানে আমার ইচ্ছাই নেই অন্য সিনেমা পয়সা খরচা করে দেখার, হ্যাঁ সিনেমাহলের ব্যাপার আলাদা সেখানে আমিও পয়সা খরচা করে সিনেমাটা দেখি। আমি যদি দর্শকদের দিক থেকে দেখি তো এত সিনেমা যখন ফ্রিতে দেখতে পাচ্ছি এটাও আমি ফ্রিতেই দেখাব..

কিন্তু এক্ষেত্রে তুমি তো শুধু দর্শক নও, ক্রিয়েটারও! সেখানে বানিজ্যিক দিকটা কিভাবে সামাল দেবে?

সৌরভ- হ্যাঁ একদম ঠিক! আমি ফান্ডটা সামাল দিতে পারব স্পনসরের উপর, এর উপরেই বেস করে আমি কাজটা করছি তবে আমি দর্শকদের কাছ থেকে কোন পয়সা নেব না।

ফ্রি’তে দেখাবে বলছো, যারা পয়সা নিয়ে দেখাচ্ছে তাদের সাথে সংঘর্ষ অনিবার্য তো..

সৌরভ- কোন সংঘর্ষ নেই! ওরা একটা এত বড় হাউস আমি একদম ক্ষুদ্র। আমি কটা আর করব, আমি মানুষকে মাসে একটা কি দুটো দিতে পারব, ঐ বাজেট আমার নেই। এই যেমন গৌরব আমার বন্ধু তাই কাজ করে দিয়েছে এইরকমভাবে যটা আমি করতে পারি করব তবে হ্যাঁ কিছু স্ট্যান্ড আপ কমেডি থাকবে, কিছু ভাইরাল কনটেন্ট থাকবে। ওরা যদি শপিং মল হয় আমার তো ছোট মুদিখানার দোকান মাত্র!

গৌরব’কে ‘পার্কিং’র জন্য এরকম একটা নন-গ্ল্যামারাস রোলে নিলে কেন?

সৌরভ- গৌরব আমার ভাল বন্ধু বা পয়সা কম নেবে বলে কাস্টিং করি নি (হাসি) ও আগে এরকম ডি-ক্লাসড ইমেজের চরিত্র করে নি, সবসময় একটা গুডবয় ইমেজ, কর্পোরেট ইমেজই দেখে এসেছি। এখানে ‘পার্কিং’র ছেলে, একদম গ্ল্যামার নেই। সবথেকে বড় কথা ও খুব ভাল একজন অভিনেতা তাই মনে হয়েছিল এটা নিয়ে একটা এক্সপেরিমেন্ট করতে এবং গৌরবও চ্যালেঞ্জটা নেয়। আমরা প্রচুর ওয়ার্কশপ করেছি, শুট করেছি, ভীষণ ভাল একটা এক্সপেরিয়েন্স, এখানেও ঐ আবার আনপ্রেডিক্টেবল ব্যাপার কারণ অনেকেই বলতে পারে এটা ঋত্বিকদা করতে পারত বা অনির্বাণ (হাসি) !

বাংলার মেন স্ট্রিম কমার্শিয়াল সিনেমার প্রতি তোমার নাকি একটা নাক-সিটকানো ব্যাপার আছে?

সৌরভ- না না না…একদম নেই বরং উল্টোটা আছে, সত্যিটা বলতে আজকে রাজ’দা (চক্রবর্তী) যে সিনেমাটা ডিল করে, একটা বড় ফাইট সিকোয়েন্স, নাচ হচ্ছে ১০০ জনকে নিয়ে ওটা ডিল করা আমার পক্ষে চাপ! মেন পয়েন্ট যে আমার ঐ অভিজ্ঞতা নেই ওটা ডিল করার, আমি পারব না আর দ্বিতীয় কারণ আমি নিজে দর্শক হিসেবে এন্টারটেন হই না! আমি নিজেকে কানেক্ট করতে পারি ‘ট্র্যাপ’ দেখে বা ‘বাকিটা ব্যক্তিগত’ দেখে বা মৈনাকের যে কোন ছবি দেখে…

শেষ দুটো সিনেমা তোমারই স্ক্রিপ্ট করা…

সৌরভ- ঐ দুটো বিবাহ আর চলচ্চিত্র, এরপর হ্যাপি পিল বা ঘরে-বাইরে আমার লেখা না, ওগুলো দেখে আমি আবারও প্লিজড হব জানি, আমি সৃজিত মুখার্জি’র  ‘নির্বাক’ দেখে তৃপ্ত হয় ‘জুলফিকার’র থেকে, আমি সেটা সৃজিতদা’কেও বলেছি তোমার সেরা কাজ ওটা! আমার এই সিনেমাগুলো বেশি ছুঁয়ে যায়। আমি ব্যক্তিগত ভাবে ঐ ফাইট বা বিদেশে নাচ ওগুলোর সাথে কানেক্ট করতে পারি না তবে হ্যাঁ একটা বিপরীতদিকও আছে যে আমি সলমান খানের বড় ফ্যান, একদম ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো (হাসি)!

তাহলে এবারে অ্যামাজন’র আগে টাইগার?

সৌরভ- (হাসি) আমি ‘চাঁদের পাহাড়’ দেখেছি কমলেশ্বরদা’র জন্য…অ্যামাজনও দেখব..

দেবের জন্য নয়…

সৌরভ- (একটু ভেবে) সত্যি বলতে গেলে দেবের সিনেমা দেখার জন্য নয় এখনো এরকম হই নি যে দেবের জন্য সিনেমাটা দেখতে যাব। যদি ঋত্বিক চক্রবর্তী হয় এবং সিনেমার কোন পরিচালকও না থেকে তবুও দেখতে যাব শুধু ঋত্বিক চক্রবর্তী’র জন্য (হাসি)। তবে তুলনা যদি করতে হয় সেখানে জিৎদা’র কথা বলতে পারি, কি কারণ আমি জানি না জিৎদার সিনেমা আমাকে একটু হলেও টানে,মনে হয় মেন স্ট্রিম হিরো হো তো অ্যায়সা!

সবাই জানে তুমি বামপন্থী, তো কাজ করতে গিয়ে যে কোন জায়গাতে (সিনেমা বা নাটক) এই সিস্টেমকে কতটা পক্ষপাতিত্বহীন মনে হয়েছে?

সৌরভ- আমার বলতে দ্বিধা নেই যে আমি সিপিএম, বামপন্থীও নই ।এটা সবাই জানে বলে না আমি এটা জানাতে চাই কারণ একজন ক্ষুদ্র শিল্পী হিসেবে দায়িত্বের মধ্যে পড়ে আমার পলেটিক্যাল স্ট্যান্ডটা সবাইকে জানানো। এই যে তুমি আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছ এটা তো কোন রাজনীতির বাইরে তো নয় বা যে স্কুলে পড়াশুনো করেছি বা যে রাস্তায় হাঁটছি সবই হয়েছে রাজনীতির জন্য। আমি পক্ষ নিতে বিশ্বাসী, যারা বলেন নিরপেক্ষ তাদের মত নির্বোধ আর মূর্খ কেউ নেই, আমি ঘেন্না করি নিরপেক্ষতায়। কাজের জায়গায় যদি কেউ বিরোধ করে আমি খু-উ-ব খুশি হব। যারা বলে প্রবলেম ফেস করছে, আমি বিশ্বাস করি না কারণ কেউ যদি লক্ষ্যে স্থির থাকে কারুর ক্ষমতা নেই তাকে নড়িয়ে দেখাবে…

কিন্তু কৌশিকবাবুর সাথে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন শো পাওয়া নিয়ে ঝামেলা হয়…

সৌরভ-  হ্যাঁ হয়, আমি পুরো সাপোর্ট করি কৌশিকদা’কে। কারণ প্রচুর ফেস্টিভ্যাল থাকে স্টেট গর্ভমেন্টের সেখানে আমি ডাক পাই না সেখানে আমার কোন দুঃখ নেই, কৌশিকদা হয়ত দুঃখ থেকে কথাটা বলেছেন। যারা স্টেটের ফরে কথা বলছে তারা মাসে দশটা শো করবে আমি দুটো করবো, কোন কষ্ট নেই!  আমি ন্যাশেনাল ফেস্টিভ্যাল করছি (হাসি) কিন্তু অর্পিতা’দি বা ব্রাত্য’দা এঁদের যেকোন কাজে আমি ডাক পাই অথচ তাঁরা পলিটিক্যালি আমার বিরোধী দলের মানুষ, ব্যক্তিগত সম্পর্কে কোন প্রভাব নেই এইসবের। মিনার্ভাতে ব্রাত্য বসু নিজে আমাকে ফেলিসেট করেছেন পরিচালক হিসেবে..

তাহলে সমস্যা প্রেমাংশু রায়ের মত মানুষদের নিয়ে?

সৌরভ- এটা কোন সাবজেক্টই নয় (হাসি) ভীষণ নিচ, ওঁদের মত মানুষের জন্য আমাদের সমস্যা হয় যারা দল চালায়। আজকে যদি আমার দলের নাইট রিহার্সাল থাকে সেখানে মেয়েটির বাবা তো আমার মুখ দেখেই ছাড়ে! সেখানে যদি এই ধারনা তৈরি হয় যে ওখানে তো প্রেমাংশু’দের মত লোকজনরা থাকে,আমার বোন হলে তো ছাড়তাম না! আমি ভীষণ চমকে গেছিলাম, উনি তো একজন গুণী শিল্পী, ভাবতেই পারি নি এতোটা বাড়াবাড়ি করতে পারেন! …যাই হোক পলিটিক্যালি আমি এখনও সেরকম সিনেমা বানাই নি যেটা সমস্যাতে ফেলতে পারে..

“লন্ডন কেসটা আপনি সিরিয়াসলি নিয়েছেন নাকি?!” এই সংলাপ তো আগের সিনেমাতে ছিল..

সৌরভ- (হাসি) ওটা তো আমার আইডেন্টিটি, লাল পতাকাও দেখিয়েছি, আমি যে সিপিএম সেটা আমার সব কাজে জানিয়ে যেতে চাই।

র‍্যাপিড ফায়ার


তোমার দেখা এই সময়ের সবথেকে হাইপড সিনেমা

সৌরভ-  ইয়েতি অভিযান

সবথেকে হাইপড পরিচালক এই সময়ে

সৌরভ- (খুব বাজে এটা! নাম বলতে হলে)  অনিকেত চট্টোপাধ্যায় (হাসি)

র‍্যাঙ্কিং করো অভিনয়দক্ষতার ভিত্তিত্বে- প্রসেনজিৎ, জিৎ, দেব, রুদ্রনীল, যিশু।

সৌরভ- যিশু, রুদ্রনীল, জিৎ, প্রসেনজিৎ, দেব।

মীর এই মুহূর্তে বাংলার সবথেকে বড় স্ট্যান্ড আপ কমেডিয়ান।

সৌরভ- একদম! ইন্ডিয়ার, আমার চোখে।কপিল শর্মার থেকেও..

সৌরভ পালোধি একজন হাই-ইন্ট্যালেকচুয়াল মানুষ

সৌরভ- (হাসি) একদম না!

তোমাকে যদি এখন পাঁচজনের বুদ্ধিজীবীর দল তৈরি করতে বলা হয়, কাদের রাখবে?

সৌরভ- (কঠিন ব্যাপার) সব্যসাচী চক্রবর্তী, চন্দন সেন, ব্রাত্য বসু, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় এবং আমি ।


নবাগত শিল্পীদের জন্য কি বলবে, রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে আসা উচিৎ না নিরপেক্ষ থাকবে নাকি স্রোতে গা ভাসাবে?

সৌরভ- যারা নিরপেক্ষ তাদের আমি শিল্পী মনে করি না। কোন না কোন আদর্শ থাকা উচিৎ সবার তা সে যতই ছোট হোক না কেন। আমি তো আমার দলে বলি একটা কথা, যদি তৃণমূল করো তো প্রপারলি করো, কালকে সিপিএম বা বিজেপি হতে এসো না! সুবিধাবাদী হয়ো না।

প্রশ্নের ওপারে- শুভদীপ কাজলী (এডিটর)।