“অনেকই চাইছেন আমার ছবিটা বন্ধ হয়ে যাক!”- অনিন্দ্য (পুলক) ব্যানার্জি।

SMUG ইনি বাংলা সিনেমার অন্যতম ভিলেন, অভিনয়টা কোনদিন মেপে করেন নি যা করেছেন মন থেকে আর তাতেই কলকাতা, মুম্বাইতে জমিয়ে কাজ করে চলেছেন, তিনি অনিন্দ্য পুলক ব্যানার্জি।

ইনি বাংলা সিনেমার অন্যতম ভিলেন, অভিনয়টা কোনদিন মেপে করেন নি যা করেছেন মন থেকে আর তাতেই কলকাতা, মুম্বাইতে জমিয়ে কাজ করে চলেছেন, তিনি অনিন্দ্য পুলক ব্যানার্জি। এবার বানাচ্ছেন তাঁর প্রথম সিনেমা “স্মাগ”, যখন ছবিটার সাবজেক্টটা শুনি খানিকটা অবাক হয়েছিলাম অবশ্যই কারণ যেধরনের চরিত্র দেখে অভস্ত্য আমজনতার চোখগুলো সেখানে একজন ছটফটে মানুষ এতো ভাবুক কিভাবে হয়? মানে এখানেও অ্যান্টিলজিক, শান্ত-চুপচাপ মানুষরাই ভাবুক হয় সেই ধারণাতেও চ্যালেঞ্জ !! তিনি নিজে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন একটা মুভমেন্টের, অ্যান্টিলজিক মুভমেন্ট আর সেখানে আসতে চলেছে স্মাগ, ওয়াচমেকার সহ একের পর এক সিনেমা…  যাদবপুরের বাড়িতে বসে নিজের প্রথম পরিচালনা নিয়ে কথা বলতে শুরু করার পর সময় যত এগোতে থাকলো ততই একজন বিখ্যাত মানুষের কথা মনে ভেসে উঠলো বারবার, “ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো”…

কিছু দিন আগে নাকি তুমি মুর্শিদাবাদের কোন এক প্রত্যন্ত গ্রামে চাষবাস, গরুকে ধান দেওয়া এইসব কাজ করছিলে?

অনিন্দ্য- হ্যাঁ, ওটা অরিজিৎ সিং’র একটা ছবির কাজের জন্য…

রিলিজ কবে করছে?

অনিন্দ্য- সেটা ঐ জানে, তবে আগে বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালগুলোতে পাঠাবে দেশে, বিদেশের, আর এই কাজটা আমি বলবো ‘পথের পাঁচালি’র পর এমন একটা কাজ যেটা পুরোপুরি গ্রামকে নিয়ে… আমি লিডে আছি একজন চাষির ভূমিকায় তাই ঐসব করা, শিখতে হয়েছিল, গরুর লেজ ধরে ক্ষেতের মধ্যে চালানো খুব ডিফিকাল্ট ছিল! (হাসি)

অভিনয়ের থেকে পরিচালনা, এই চিন্তাভাবনাটা নিশ্চয়ই একদিনে আসে নি, কিভাবে শুরু হল এই জার্নিটা?

অনিন্দ্য- এটা জানো তো ড্রিম আর ভিসনের মাঝামাঝি একটা স্টেট অফ মাইন্ড। স্বপ্ন দেখাটা জরুরী আমি বলছি না যে মানুষ জেগে জেগে যে স্বপ্ন দেখে সেটা না, যদি কোন একটা জিনিস নিয়ে দিনরাত লেগে থাকো তো সেটা স্বপ্নে আসতে বাধ্য! কিন্তু সেটা একটা অদ্ভুত ফর্মে আসবে এবার মজা হচ্ছে সেই ফর্মটা আমরা কারেকশেন করতে যাই বা ভুলে যাই, আমি সেটা একদম করি না। ‘স্মাগ’র ক্ষেত্রেও তাই ড্রিম আর ভিসনের একটা মাঝামাঝি স্টেট, আমি সিনেমার ক্ষেত্রে স্ক্রিপ্ট আলাদা করে বিশ্বাস করি না…

তুমি তো স্ক্রিপ্ট নিয়ে পড়াশুনো করেছ…

অনিন্দ্য- হ্যাঁ  করেছি, সেটা ধরো একটা লেখার স্টেট অফ মাইন্ড এবার সেখানে কি করে যেতে হবে সেটা বুঝতে হবে, তোমার একটা ড্রিম আছে আর ভিসন আছে সেটার মাঝামাঝি স্টেটে না যেতে পারলে হয় সাহিত্য নিয়ে সিনেমা করতে হবে না হলে সমাজ থেকে কোন এক ঘটনাকে তুলে নিয়ে এসে সিনেমা করতে হবে, আমি এটাতে একদম বিশ্বাস করি না। আমার কাছে স্মৃতি হিসেবে যা আছে, যা স্বপ্ন দেখি সেটাই আমার কনটেন্ট! বললে বিশ্বাস করবে না কালকে আমি শুটিং করতে যাচ্ছি স্ক্রিপ্টটা আমি খুব বেশী হলে দু’বার পড়েছি আর প্রোডিউসারের কাছে পড়তে হয়েছিল না হলে আমি সেটাও পড়ি নি। পিউর একটা অ্যাবস্ট্রাক্ট ফর্মে রাখি নিজেকে…

এই স্বপ্নগুলো শেষ হয়ে গেলে কি করবে?

অনিন্দ্য- স্বপ্ন কিন্তু চটকরে শেষ হওয়ার নয় কারণ তুমি যে ক্রাইসিসের ভেতর দিয়ে যাচ্ছ…ধরো আমার এই ছবিতে আছে একটা লাইন, পার্লামেন্ট থেকে একটা আইন পাস করানো হোক যে যারা কালচারাল মাফিয়া তারা যেন আউট অফ ল হয়ে যায়! এটা আমি বলছি কেন এইরকম আইন পাস হবে না? বলার চেষ্টা করছি সিনেমার মাধ্যমে…পাশাপাশি রয়েছে সুকুমার রায়ের ইন্সপিরেশন, সুকুমার রায়ের অ্যাবসার্ডিটি আমাকে ভাবিয়েছে আমার ফিল্মের ক্ষেত্রে। এটা একটা অ্যাপ্লায়েড লিটারেচারের ফর্ম , আমরা তো বৈষ্ণব সাহিত্য থেকে এই ফর্ম পেয়েছি আর এই ব্যাপারটা আমাদের দেশে সেভাবে ডেভ্লপ করে নি তাই আমার সিনেমাতে আঁকা জানলা থেকে গান আসছে, আলো আসছে… এই ফর্মে দুইজন মানুষ কাজ করে গেছেন ঐ লেভেলে একজন সুকুমার রায় ও আরেকজন বিদেশে লুইস কারোল… আমার দেওয়ালে গ্রাফিটি আছে, ‘দুমদাম ফুল ফোটে আমি ভাবি পটকা’ এবার এটার মানে কি হতে পারে সেটা আমার সিনেমা দেখে বুঝতে পারবে মানুষ…

মনে হচ্ছে না প্রথম পরিচালনাতে এইরকম সাবজেক্ট একটু কঠিন হয়ে গেল?

অনিন্দ্য- হ্যাঁ, একদম ঠিক বলেছো, কঠিন এটা, তবে একদিকে আবার সহজও! যেমন আমি সিন ওয়ার্কে বিশ্বাস করি, একটা সিন বলছে এই ছ’জন বন্ধুর মধ্যে অসম্ভব একটা বন্ডিং আছে  এবার স্ক্রিপ্টটা আমি কঙ্কালের মত রাখি অভিনেতাদের সামনে এবার যা খুশি হতে পারে আমার লক্ষ্য হচ্ছে এটাই করা কিন্তু যা লিখেছি সেটা বলা না। একটা ওপেন মাইন্ড সব কিছু করতে পারে, সব কিছু! তখন কঠিন আর কিছু থাকে না।

তাহলে অভিনেতাদের সাথে ওয়ার্কশপ করেছো ?

অনিন্দ্য- এক, দেড় বছর ধরে চলছে এই ওয়ার্কশপ!

এই সিনেমার টার্গেট অডিয়ান্স কাদের বলবে?

অনিন্দ্য- আমার প্রথমদিকে একটা ধারণা ছিল যে ‘স্মাগ’ বোধহয় তাঁদের জন্য যারা খুব মুভি বাফ বা সিনেমা নিয়ে পড়াশুনো করছে , সিনেমা যাদের ধ্যানজ্ঞান তাঁদের জন্য কিন্তু যত সময় এগিয়েছে আমার মনে হয়েছে যে না, কারণ আমার কাছে ব্যাপারটা যত সহজ হতে থাকছে দর্শকদের কাছেও সেটা বুঝতে সহজ হবে। সহজের তো কোন বিকল্প নেই, সেই কঠিন থেকে সহজ হওয়ার ধাপটা আমি পেরিয়ে এসছি আমার ক্যামেরাম্যানও পেরিয়ে এসছে। ফ্রেম, কম্পোজিশেনের নিয়ম অনুযায়ী মিডল ফ্রেমটা একটু লাইট রাখতে হয় তবে বুঝতে সুবিধে নয় কিন্তু এই সিনেমা কোন প্রচলিত নিয়মে হচ্ছে না! আমার ক্যামেরাম্যানেরও স্মৃতি নেই, আমারও নেই, যখন শুট করবো আমি সব কিছু অফ করে দেব সেই মুহূর্তে কি চাই সেটাই করবো…

তাহলে সেই সময় যদি যশরাজ ফিল্মসের থেকে ফোন আসে ধরবে না?

অনিন্দ্য- না, না… যশরাজ ফিল্মসের ফোনটা আরও পরে আসবে এই সিনেমাটা করার পর (হাসি)… জোকস আ পার্ট…

পরিচালক হিসেবে তোমার দর্শকের স্প্যানটা কোথাও কমে যাচ্ছে অভিনেতা অনিন্দ্য’র দর্শক সংখ্যা থেকে…

অনিন্দ্য- (একটু ভেবে) সেরকমটা এখন ভাবি নি! এই স্ক্রিপ্টটা দু’বছর আগের লেখা, আমি ২০০০ সালে স্ক্রিপ্ট নিয়ে পড়াশুনো শেষ করেছি তারপর ১৭ বছর কেটে গেল! আর বোধহয় একবারে বসেই লিখে ফেলেছিলাম, আমার এরকমও মনে আছে হাফবেলা বসে আমার স্ক্রিপ্ট লেখা হয়ে গেছে আবার উল্টোও আছে একটা স্ক্রিপ্ট আমি করবো সিনেমাটা “কল অফ স্পেস” ৩ বছর লেগেছে করতে বা আরেকটা ফিচার নভেম্বরে করতে যাচ্ছি “ওয়াচমেকার” যেটাও দীর্ঘ সময় লেগেছে সেটার বিষয়টা আরও অ্যাবসার্ড, একজন ঘড়ি বানায় তার কাঁটা উল্টোদিকে ঘোরে! অ্যাবসার্ডিটি আমার শেষ কথা। রিজন দিয়ে সিনেমা হয় না, রিজন দিয়ে বাস্তবিক কাজকর্ম হতে পারে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলা বা মাছের বাজারে হিসেব বুঝে নেওয়া…এই সমীকরণ কখনো শিল্পের সমীকরণ হতে পারে না! ভারতের দর্শন থেকেই এটা আমি পেয়েছি, হিউম্যান রিজেনিং আর ভেরি লিমিটেড। তাহলে আমি লিমিটেড জিনিস নিয়ে কাজ করব কেন?

তুমি অ্যান্টিলজিকের কথা বলছ, সিনেমার সাবজেক্টও তাই, তাহলে ট্রিটমেন্টও কি অ্যান্টিলজিক্যাল?

অনিন্দ্য- হ্যাঁ একেবারেই তাই…

তাহলে দুটো চরিত্রের কথোপকথনের একটা এস্টাবলিশমেন্ট শটের পর এসপি শট দেখা যাবে না?

অনিন্দ্য- না না, এসবের কোন কিছুই নেই! আমার এখানে ক্যামেরাম্যান বাদ দিয়ে আর কোন এলিমেন্টই নেই যেটা দিয়ে শট হয় আর কি! ট্রলি, জিমি জিপ কিছুই নেই বরং আমি যদি কোন হুইল আবিষ্কার করতে পারতাম তবে তার উপর ক্যামেরাটা বসাতাম।

এডিটিং এও তাই?

অনিন্দ্য- একদম অ্যাবসার্ড, তুমি ভাবো না যেখানে কনটেন্টে রয়েছে আঁকা জানালা দিয়ে আলো-বাতাস ঢোকে তাহলে এডিটিং ও ঐরকম হতে হবে তো। মিউজিকও তাই…

কি রকম…

অনিন্দ্য- প্রথমে বলি এটা “সাউন্ড অফ মিউজিক”কে ট্রিবিউট করা কারণ এটা আমার কাছে গীতা। আমি রবীন্দ্রনাথের গান ব্যবহার করে বলতে চেয়েছি শিল্পকে আমি চোখে দেখি নি, শুধু বাঁশি শুনেছি…আর এটা গেয়েছে যিনি তিনি আমাকে রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে ঘুম পাড়াতো, একজন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ মানুষ আর সেই গান আমার চরিত্রের মোবাইলের রিংটোন হয়ে আসছে…অ্যাবসার্ডিটির মাত্রাটা ভাবো…

সচেতন পাগলামি তো পুরো…

অনিন্দ্য- হা হা…এক্কেবারে

এরকম একটা সাহসী চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করছো, ইন্ডাস্ট্রির মানুষজন শুনে কি বলছে?

অনিন্দ্য- যা পেয়েছি তাতে অনেকেই বলছে এটা আঁতলামো হচ্ছে, আমার ধারণা আমি তবে ঠিক পথেই এগোচ্ছি… তাঁদের যেটা মনে হচ্ছে একদম ঠিক মনে হচ্ছে, এটা আঁতলামোই! বলতে বাধ্য হলাম এরকম একটা পরিমণ্ডল তৈরি হয়েছে যেখানে অনেকই চাইছেন আমার ছবিটা বন্ধ হয়ে যাক! সত্যি এই ছবিটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত ছবি কারণ এই ছবি মার্কেটে আসলে অনেকেরই প্রবলেম হবে…

অনেকগুলো প্রচলিত ডেফিনেশনকে যেখানে চ্যালেঞ্জ করছ…

অনিন্দ্য- হ্যাঁ, চ্যালেঞ্জ করছি এবং আমি চাই যে এই কথাগুলো মিডিয়ার মারফত প্রকাশ পাক। কারণ দেখো যে ফরম্যাটে চলছি আমরা সেটাতে কোন অসুবিধে হত না যদি বিজনেস দিতে পারত কিন্তু আজকে বাংলা ছবিতে তো বিজনেস হচ্ছে না! তাহলে আমি আরেকটা জিনিস কেন ট্রাই করবো না? এখানে কেন এতো গাত্রদাহ হচ্ছে? দু,তিনটের বেশী বাংলা সিনেমার ভালো বিজনেস নেই তাহলে যে নতুন সিনেমা বানাচ্ছে তাকে কেন ঐ প্রচলিত নিয়মেই সিনেমা বানাতে হবে? আমার শর্ট ফিল্মের বাজেট অনেক বেশী, ভারতে এরকম কম শর্ট ফিল্ম হয়েছে এতো বাজেটে…

এটাও তাহলে গাত্রদাহের আরেকটা কারণ হতে পারে…

অনিন্দ্য- এটাও একটা কারণ অবশ্যই, আমি প্রোডিউসারকে একটা কথাই বলেছিলাম এটা ১ টাকার বিজনেস দিতে পারে বা ১ কোটিরও! অনুস্কা ফিল্মস এন্ড এন্টারটেনমেন্টের অভিরূপ ঘটক, তিনি নিজে থিয়েটারের লোক, সে ব্যাপারটা কানেক্ট করেছে বলেই এতোগুলো টাকার বাজি লাগাচ্ছে…

ব্যবসার কথা বললে, তুমি নিজে অনেকদিন সিরিয়ালে কাজ করেছ, তোমার কি মনে হয় ছোটপর্দার একঘেঁয়ে সিরিয়ালগুলো সিনেমার ব্যবসার ঘাটতিতে পরোক্ষভাবে হলেও দায়ী?

অনিন্দ্য- সেটা এক বিখ্যাত মানুষ, নাম করছি না কিছু মানুষ বলছেন এটা তো টিভি’র ছবিই হচ্ছে! আমার ধারণা যদি ওটা ব্যবসা দেয় চলুক না , যাই হোক না কেন এই ইন্ডাস্ট্রিটাকে রান করাতে হবে আমাদের সামনে কোন বিপ্লব নেই তাই বিপ্লবের দায়ও নেই। আজকে কোন সিনেমা দেখে যদি মানুষ কাঁদে বুঝতে হবে তার বায়োলজিক্যাল কন্ডিশেন চেঞ্জ হচ্ছে , হুইচ ইজ রাইট! কোন বিরোধিতা নেই, আমি অন্য রাস্তায় হাঁটবো, ঐসব সিনেমা নিয়ে আলোচনা করা আমার কনশার্নই না…

অভিনয়ের পরে পরিচালনাতে এলে অভিনয়ের ধার কমে যায়…

অনিন্দ্য- বিপক্ষে।

অ্যান্টিলজিকটাও আসলে একটা লজিক!

অনিন্দ্য- (হাসি) এটা হ্যাঁ বা না বলা যাবে না, এটা একটা ট্রিক আর কি!

ডিজিটাল মিডিয়া নিয়ে আরও বেশী করে পড়াশুনা করা উচিৎ ইন্ডাস্ট্রির…

অনিন্দ্য- এটা একদম ওকে আছে, পক্ষে।

নিজের সিনেমা নিয়ে হলে হলে যাওয়ার বদলে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের রেড কার্পেটে হাঁটা বেশী পছন্দ পরিচালকের!

অনিন্দ্য- (হাসি) ভীষণ শক্ত এটা বলা! এটা সর্বত ভাবে সত্য নয়!


রেকর্ড বলছে ২০১৮তে একটা বলিউড সিনেমা পাওয়া উচিৎ তোমার দর্শকদের কারণ ২০১২ কাহানি ,১৫ তে ব্যোমকেশ…

অনিন্দ্য- আমার ধারণা এই সিনেমার পর হয়তো পাবে …(হাসি)

তোমার মেয়ে ডেবিউ করছে আর এরকম একটা কঠিন সাবজেক্ট নিয়ে, বোঝাচ্ছ কিভাবে?

অনিন্দ্য- (হা হা) আমি ওরকমভাবে কিছু বোঝাই নি,আমি বাচ্চাদের এমনিতে খুব ফ্যান। ওকে অভিনয়টা শেখালে ঐ অ্যাবসার্ডিটিটা থাকবে না, আমার ন্যাচারাল রিয়েকশেনটা চাই মানে কারেকশেনে বিশ্বাস করি না, যদি ক্যামেরার দিকে লুকও দিয়ে দেয় সেটাই ভালো, আমি ওটাই চাইছি! বড়দের কাছে এটা এরর হলেও আমি ঐ এররে বিশ্বাস করি না তাই একটা কথাই বলি  আই-ই অলওয়েজ হেট গুড থিংগস ইন ফিল্ম!

প্রশ্নের ওপারে- শুভদীপ কাজলী (এডিটর)।