ইন্ডাস্ট্রির জালে জড়িয়ে পড়েছে এই দুই নবাগত !

সপ্তাশ্ব

নেটওয়ার্ক। শব্দটা শুনলেই প্রথমে আমাদের মনে পড়ে, ডিজিটাইজেশন। একটা মানুষের সঙ্গে জুড়ে রাখা আরেকটা মানুষ। তাদের আন্তঃসম্পর্ক। আবার নেটওয়ার্ক মানে জাল-ও। ফাঁদ পাতার নিপুণ শিল্প। এই নেটওয়ার্ক নাম নিয়েই আসতে চলেছে পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি। যার মূল চরিত্রে রয়েছেন বাঙালির প্রিয় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় – যাঁর অভিনয় দেখার জন্যই শুধু এখনও হলমুখী হন মানুষ।

সিনেমায় শাশ্বতর চরিত্রটা অভিজিত গাঙ্গুলি নামক একজন বিখ্যাত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব – যাঁর নাম ইন্ডাস্ট্রি প্রায় ভুলেই গিয়েছে। বিস্মৃতপ্রায় এই টিভি শো ক্রিয়েটর, ব্যক্তিগত জীবনে পেয়েছেন একের পর এক আঘাত – একমাত্র মেয়ের মৃত্যু ঘটেছে, পরিচালক নিজে জেনেছেন তিনি মারণব্যাধিতে আক্রান্ত, হাতে বেশি সময় নেই। এই অবস্থায়ও তিনি হাল ছাড়লেন না। বরং নিজের কামব্যাক প্রোজেক্ট – বলা ভালো তাঁর শেষ প্রোজেক্ট – তৈরিতে হাত দিলেন। এই পর্যন্ত জেনে মনে হতেই পারে, নেটওয়ার্ক আসলে জীবনযুদ্ধে হেরে গিয়েও শেষে জিতে ফেরা একজন মানুষের গল্প। কিন্তু এর পরই কাহিনীতে আসে চমক! জীবনের এই শেষ যুদ্ধেও অভিজিতের জেতার আশা শূন্য করে দিয়ে তাঁকে ঠকায় তাঁর কাছের দুজন সহকর্মী রাজ (ইন্দ্রজিৎ) আর শ্রেয়া (রিনি)। অভিজিতের কাজকে ব্যবহার করেই তারা সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে চায়। কাহিনী গড়ালে বোঝা যায়, এতে প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে অসাধু বিজনেসম্যান অরিন্দম চক্রবর্তীর।

আর ঠিক এখানেই একটা পাল্টা লড়াই শুরু করেন অভিজিত। প্রতিশোধের লড়াই। একটা অন্যরকম টিভি-রিয়ালিটি শো-র পরিকল্পনা করেন তিনি – যার মধ্য দিয়ে তিনি যথাযথ শাস্তি দিতে পারবেন রাজ-শ্রেয়া-অরিন্দমদের। অথচ, তিনি বেশ বুঝতে পারছেন, তাঁর নিজের হাতেও সময় বেশি নেই…

শেষ পর্যন্ত কি অভিজিত পারবেন তাঁর প্রতিশোধের লড়াই শেষ করতে? পারবেন তাঁর বানানো ফাঁদে বাকিদের জড়িয়ে ফেলতে? এরই উত্তর নিয়ে আসছে নেটওয়ার্ক – যার কাস্ট লিস্টে শাশ্বত ছাড়াও রয়েছে সব্যসাচী চক্রবর্তী, ভাস্কর ব্যানার্জি, রিনি ঘোষ, ইন্দ্রজিত মজুমদারদের নাম। বাড়তি আকর্ষণ অবশ্যই এই তালিকায় অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, দর্শনা বনিকের গেস্ট আপিয়ারেন্সে নামও! জাল ছাড়াতে হলে তাই হলমুখী হওয়া ছাড়া গতি নেই…আসছে খুব তাড়াতাড়ি…