নিজের গানকেই চরিত্র বানিয়ে আবার ফিরে এলেন অঞ্জন!

সবার ভাগ্যে ফিরে আসা জোটে না। ফিরে আসার পরও মানিয়ে নিতে পারে না অনেকেই। দেখতে পায়, সময় পাল্টেছে, মানুষ পাল্টেছে। সমস্যারাও বদলে গিয়েছে নিজেদের মতো করে। তবু মানুষ ফিরে আসতে চায়। কোথাও একটা টান কাজ করে – পুরোনো মুখগুলোর, পুরোনো বিছানার, পুরোনো স্মৃতির। আর সেই ফিরে আসার ইচ্ছেটুকুই উস্কে দিতে বোধ হয় অঞ্জন দত্ত নিয়ে আসছেন তাঁর নতুন ছবি – ‘আমি আসব ফিরে’। এ ছবিও তাঁর অনেক সিনেমার মতোই, মিউজিকাল না হয়েও মিউজিকাল। গান দিয়েই এ ছবিতে সমস্ত আঘাত, সমস্ত একাকিত্বের জবাব খুঁজতে চেয়েছে অঞ্জনের চরিত্রটি। ধর্ষণ থেকে পরকীয়া – অসুস্থতা থেকে ডিপ্রেশন – সবই এসেছে, জড়িয়ে থেকেছে জীবনকে – আর তাই গানই হয়ে উঠেছে এসবের একমাত্র ওষুধ।

আর তাই, এ সিনেমায় গান যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা থাকে না। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত ভালোভাবেই পালন করেছেন অঞ্জন দত্তের সুযোগ্য পুত্র নীল দত্ত। বাবা-ছেলের সাঙ্গীতিক হেরিটেজ ফুটে উঠেছে এই সিনেমার গানগুলোর লাইনে লাইনে। আমি আসব ফিরে, সিগারেট, যায় ফুরিয়ে, কত কত একা একা, লা লা লাই, মনখারাপের বিকেলে, সকাল… এরকম সাতটা ইউনিক গানের পশরা সাজানো আছে সিনেমাটির মধ্যে। যার প্রতিটাই দোলা দিয়ে যায় মনের কোণে।

গানের পাশাপাশি এ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন শুধু অঞ্জন নন, স্বস্তিকা মুখার্জি, দর্শনা বণিক, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, অঞ্জনা বসু, সৌরসেনী মিত্ররাও। যাঁরা প্রত্যেকেই ইত্যিমধ্যে নিজেদের জাত চিনিয়েছেন অভিনয়ে।

সব মিলিয়ে, ‘আবার আসব ফিরে’ একটা এক্কেবারে অন্যরকম মিউজিকাল ট্রিটমেন্টের অপেক্ষায় রাখছে আমাদের।