আপনাদের জন্য এসভিএফ’র ভ্যালেন্টাইন গিফট!

একটি প্রযোজনা সংস্থা বাদেও ‘এসভিএফ’র নিত্য নতুন পদক্ষেপগুলি প্রতিবারই মানুষকে কাছে টেনেছে। সেটি তাদের প্রযোজিত সিনেমা হোক বা বাংলার প্রথম ওয়েব প্লাটফর্ম ‘হইচই’। ‘হইচই’ বিষয়ে একটু আলাদা করে বলতেই হচ্ছে। আধুনিকতা যখন ইন্টারনেটকে হাতিয়ার করে মানুষকে আরও কাছে টেনে নিয়েছে তখন সিনেমার ক্ষেত্রেও আধুনিক ছাপ পড়বে না কেন ?

এই ভাবনা অনেকের মাথাতে ঘোরপাক খেলেও বাংলা চলচ্চিত্র জগতে একটি ওয়েব প্লাটফর্ম আবিষ্কার করার সাহস কেউ’ই দেখাতে পারেনি। এদিক দিয়ে ভেবে দেখলে “হইচই” একটি বড়োমাপের ব্রেক ছিলো বাংলা সিনেমার জন্য।

“হইচই” দিয়ে শুরু হওয়া তাদের সিনেমা বিপ্লবের জার্নি অগ্রসর হয়েছে আরও এক নয়া মোড়ের দিকে। এবং এর পৃষ্ঠপোষকতায় থাকছে ‘এসভিএফ মিউজিক’। অর্থাৎ এবার তাদের উদ্দেশ্য বাংলার সঙ্গীত মহল। আচ্ছা একবার ভেবে দেখুনতো, একই মঞ্চে বাংলার ফসিলস, অনুপম রায় এবং ইমন চক্রবর্তী। এবং পাশাপাশি মঞ্চ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন ওপার বাংলার ঐষি এবং জেমস। ভেবে দেখুন ব্যাপারটা তারপর যদি একই সঙ্গে লন্ডনবাসী আরেক বাঙালি সাহানা বাজপেয়ী’ও সুর মেলান তখন নিজেকে সামলাতে পারবেন তো?

না, স্বপ্ন দেখছেন না। বাংলার গান প্রেমীদের উদ্দ্যেশ্যে এমনটাই করতে চলেছে ‘এসভিএফ মিউজিক’। এবং এই অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘গান পিরীতি’। আগামী কাল অর্থাৎ ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে কলকাতার নজরুল মঞ্চ সাক্ষী থাকবে এই ঐতিহাসিক সঙ্গীতানুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠানের এক্সক্লুসিভ সম্প্রচার দেখা যাবে ‘হইচই’র পর্দাতেও।

অনুষ্ঠানটির একটি অন্যতম চমক ঐষি। কারণ, এর আগে কলকাতার কোনো মঞ্চ তাঁর গান শোনেনি। ‘গান পিরীতি’ নিয়ে জিজ্ঞাসা করলে ‘এসভিএফ’র কো-ফাউন্ডার এবং ডিরেক্টর মহেন্দ্র সোনী জানান,

“মানুষকে যেকোনো উপায়ে এন্টারটেইন করা তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এবং এজন্য তাঁরা এবার হাতিয়ার করে নিয়েছে ‘এসভিএফ মিউজিক’কে। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ‘গান পিরীতি -পর্ব ১’ অবশ্যই মনে জায়গা করে নেবে বাংলার সঙ্গীত প্রেমীদের”, আমাদেরও প্রত্যাশা একই থাকবে কারণ এইরকম একটা ঘটনা আগে বাংলাতে ঘটে নি! (টিকিট কাটতে ক্লিক করুন এখানে)।